Thesis Writing Format

আপনি থিসিস করেন কিংবা গবেষণা আর্টিকেল লিখেন, সাধারণত এই অংশগুলো থাকে-

1. Title
2. Abstract
3. Introduction
4. Literature Review
5. Conceptual and Theoretical framework
6. Methodology
7. Results/Findings & Discussion
8. Conclusion
9. Reference

টাইটেল,অ্যাবস্ট্রাক্ট, মেথডোলজি এবং কনক্লিউশন; এগুলো মোটামুটি ছোট অংশ। এগুলো লেখার জন্য কোন সফটওয়্যার প্রয়োজন নেই । আপনার হাতে যদি সিমিলার কয়েকটি থিসিস থাকে,তাহলে সে নমুনাগুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই এই অংশগুলো লিখে ফেলতে পারবেন।

তবে এই অংশগুলোসহ গবেষণায় প্রত্যেকটি অংশে , কিছু টুলসের প্রয়োজন হয়, সেগুলো সম্পর্কে লিখছি।

𝟭. 𝗚𝗿𝗮𝗺𝗺𝗮𝗿 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-

(Grammarly*/Ginger)

ইংরেজি যেহেতু আমাদের মাতৃভাষা না । তাই আমাদের লেখার মধ্যে ব্যাকরণগত এবং ভাষাগত অনেক ভুল থাকতে পারে । আপনি চাইলে সহজেই এখান থেকে ঠিক করে নিতে পারেন । সর্বোচ্চ আউটপুট পেতে চাইলে প্রিমিয়াম ভার্শন কিনতে পারেন ।

𝟮. 𝗣𝗮𝗿𝗮𝗽𝗵𝗿𝗮𝘀𝗶𝗻𝗴 𝗮𝗻𝗱 𝗪𝗿𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝘁𝗼𝗼𝗹𝘀-

(Quillbot*/Word Ai/Ref-n-Write/Pro Writing Aid)

ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি Quilbot,Word Ai খুবই ভালো । তবে Ref-n-Write/Pro Writing Aid খুবই অ্যাডভান্স।Quilbot এর বিনামূল্য ভার্শন আপনাকে যথেষ্ট সাহায্য করবে। অন্য টুলসগুলো আপনাকে নামমাত্র মূল্যে কিনে নিতে হবে ।

𝟯. 𝗘𝗱𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝗧𝗲𝘅𝘁 𝗦𝗼𝗳𝘁𝘄𝗮𝗿𝗲

(Word*, OpenOffice, LaTeX*), Scrivener…)

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর কাজ খুব ভালোমতো জানা থাকলে বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও হবে । তবে বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ল্যাটেক্স শেখা যেতে পারে । আমি গবেষণার দুটি সফটওয়্যার শিখে সবচেয়ে বেশি আনন্দলাভ করেছিলাম , তার মধ্যে একটি হলো লাটেক্স । জার্নাল অনুযায়ী লেখা সাজানো , অটোমেটিক সূচিপত্র বানানো, ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যাবে ।

𝟰. 𝗖𝗼𝗻𝗰𝗲𝗽𝘁𝘂𝗮𝗹 𝗮𝗻𝗱 𝗧𝗵𝗲𝗼𝗿𝗲𝘁𝗶𝗰𝗮𝗹 𝗙𝗿𝗮𝗺𝗲𝘄𝗼𝗿𝗸-

(Diagram.net*, creatly*, Canva)

এই অংশগুলোতে অনেক সময় ডায়াগ্রাম বা চিত্র আঁকতে হয় । মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে যদিও চিত্র অঙ্কন করা যায় , তবে সেটি সুন্দর হয়না । আপনারা চাইলে Diagram.net, creatly, Canva এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে মুহূর্তেই কাঙ্খিত ডায়াগ্রাম তৈরি করে নিতে পারবেন ।

𝟱. 𝗥𝗲𝘀𝘂𝗹𝘁𝘀/𝗙𝗶𝗻𝗱𝗶𝗻𝗴𝘀 & 𝗗𝗶𝘀𝗰𝘂𝘀𝘀𝗶𝗼𝗻

এই অংশকে কোয়ালিটিভ এবং কোয়ান্টিটিভ দুটি ভাগে ভাগ করে বোঝালে সহজ হবে ।

Quantative Analysis

(SPSS*, STATA, R, …)

SPSS এর কাজ ভালোমতো জানলে সোশ্যাল সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডে শিক্ষার্থীদের বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও মোটামুটি চলে । R শিখতে পারেন , অ্যাডভান্স এনালাইসিস করতে পারবেন । পাশাপাশি খুব সুন্দর সুন্দর ফিগার বের করতে পারবেন ।

Qualitative research software

(Atlas.ti,NVivo,Quirkos*,MAXQDA…Excel*)

এতগুলা সফটওয়্যার দেখে মোটেও ঘাবড়ে যাবেন না । গুণগত গবেষণা করার ক্ষেত্রে সাধারণতঃ সফটওয়্যার না হলেও চলে বা এক্সেল ব্যবহার করেই থিমেটিক এনালাইসিস করে ফেলা যায় । ব্যক্তিগতভাবে আমি এই দুটি সফট্ওয়ারে Quirkos,MAXQDA এর কথা বলবো । আপনারা চাইলে দেখে নিতে পারেন শিখে নিতে পারেন ।

𝟲. 𝗤𝘂𝗲𝘀𝘁𝗶𝗼𝗻𝗻𝗮𝗶𝗿𝗲 𝗦𝘂𝗿𝘃𝗲𝘆-

(Kobo toolbox*,Google form*)

Kobo toolbox খুবই স্মার্ট একটি টুলস । রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ পেতে হলে এই টুলস এর কাজ জানা আবশ্যক ।

𝟳. 𝗣𝗹𝗮𝗴𝗶𝗮𝗿𝗶𝘀𝗺 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-

(Turnitin*, Viper,I-thenticate, Checker X*)

DupliChecker, Paperrater, Plagiarisma, Search Engine Reports, PlagTracker, Plagium, CopyLeaks, Ephorus, Quetext অনেকেই এসব সোর্স থেকে প্লেজারিজম চেক করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন । কিন্তু একাডেমিক লেখায় এই টুলসগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। অনলি Turnitin ইজ বস ।

𝟴. 𝗕𝗶𝗯𝗹𝗶𝗼𝗴𝗿𝗮𝗽𝗵𝘆 𝗠𝗮𝗻𝗮𝗴𝗲𝗿-

(Zotero*, Mendeley*,EndNote, …)

রেফারেন্সিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যেই রেফারেন্সিং করে ফেলা যায় । Zotero সফটওয়ারটি শেখা আমার জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে আমি মনে করি । এমনকি আমার চলমান ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই সফটওয়্যারটি খুব পছন্দ করেছে ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে হলে এই সফটওয়্যার গুলো শেখা অত্যন্ত দরকার । Zotero এবং Mendeley আমি রেগুলার ব্যবহার করি।

– লিখেছেনঃ Morshed Alam

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *